মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ অক্টোবর ২০১৫

মিনি বাস

 

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

স্টাফবাস কর্মসূচী

 

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পরিবহন সেক্টর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঢাকা মহানগরীতে স্বল্প আয়ের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিসে যাতায়াতে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় ১৯৭৪ সালে সাবেক কর্মচারী কল্যাণ কমিটির ০২-০৫-১৯৭৪ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কল্যাণমূলক কর্মসূচীর আওতায় ০১ টি বাস ক্রয় করে স্টফবাস কর্মসূচীর প্রবর্তন করা হয়। সরকারি কর্মচারীদের স্টাফবাসে যাতায়াতের ব্যাপক চাহিদার প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে নতুন গাড়ি ক্রয়ের মাধ্যমে স্টাফবাস কর্মসূচীতে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ও নির্বাহী কমিটি স্টাফবাস কর্মসূচীর গুরুত্ব পর্যালোচনা করে এর কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের জন্য ১২ (বার)টি বাস ক্রয়ের সুপারিশ করে। সে অনুযায়ী ১২ (বার)টি বাস ক্রয়ের ফলে কর্মসূচীর পরিধি ব্যাপক প্রসার লাভ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে স্টাফবাস কর্মসূচীতে আরো ১৪টি বাস সংযোজিত হয়েছে।

 

 স্টাফবাস কর্মসূচীর বর্তমান অবস্থাঃ 

১.

স্টাফবাস কর্মসূচী দেশের কোন কোন জেলায় চালু আছে

:

ঢাকা মহানগরী ও বিভাগীয় পর্যায়ে চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও জেলা পর্যায়ে রাংগামাটিতে স্টাফবাস কর্মসূচী পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

২.

স্টাফবাস কর্মসূচীর বাসের ধরণ

:

বড় বাস ও মিনি বাস

 

৩.

স্টাফবাস কর্মসূচীর বাসের সংখ্যা

:

বড় বাস - ৬৩টি
মিনি বাস - ০৯টি
মিনি কোস্টার - ০৩টি
বিআরটিসির ভাড়াকৃত বাস   ১৪টি
মোট বাসের সংখ্যা   ৮৯টি

৪.

স্টাফবাস কর্মসূচীর বাসের রুট

:

ঢাকা মহানগরী, শহরতলী ও পাশ্ববর্তী জেলায় ৮১ টি রুটে স্টাফবাস চলাচল করে।

 

৫.

যাতায়াতকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীর সংখ্যা

:

প্রায় ৮,৫০০ জন।

 

৬.

নির্ধারিত ভাড়া

:

বড় বাসে - প্রতি কিলোমিটার - ২০ পয়সা ও

মিনিবাসে - প্রতি কিলোমিটার - ৪০ পয়সা

৭.

স্টাফবাসে যাতায়াতের নিমিত্ত টিকেটের জন্য আবেদন করার পদ্ধতি

:

কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত ফরম নম্বর ১৪ (মিনি বাসের জন্য) ও ১৫ (বড় বাসের জন্য) পূরণ করে নিয়মাবলী অনুসরণপূর্বক মোবাইল নম্বরসহ আবেদন অফিস ফরওয়ার্ডিংয়ের মাধ্যমে কল্যাণ বোর্ডের প্রধান কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রেরণ করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর গাড়িতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে টিকেট প্রদান করা হয়।

 


Share with :
Facebook Facebook