মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১st জানুয়ারি ২০১৭

কল্যাণভাতা কার্যক্রম

 

সেবাপ্রার্থীর ক্যাটাগরি :

সরকারি ও  তালিকাভূক্ত ১৯টি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত অবস্হায় মৃতুবরণ করলে অথবা অক্ষম হলে তার পরিবারকে অনধিক ১৫ (পনের) বছর পর্যণ্ত কল্যাণভাতা প্রদান করা হয় এবং কর্মকর্তা কর্মচারী অবসরগ্রহণের ১০ বছরের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, মৃত্যুর তারিখের পরের দিন হতে ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার অবশিষ্ট সময় পর্যণ্ত কল্যাণভাতা প্রদান করা হয়।

 

সেবার মৌলিক তথ্যাবলী :

সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী

সেবা প্রাপ্তির স্থান

প্রয়োজনীয় সময়

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, ঢাকা

মহাপরিচালক

পরিচালক(প্রশাসন)

উপপরিচালক(প্রশাসন)

প্রশাসনিক অফিসার (কল্যাণ)

ইউডিএ/সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক/এলডিএ

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় কার্যালয়

 ১৫ দিন

সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

 

 

 

১. প্রধান কার্যালয়ে আবেদনসমূহ প্রাপ্তির পর নথি খোলা ও ক্রমানুসারে সফটওয়্যারে এন্ট্রিকরা হয় এবং SMS এর মাধ্যমে আবেদনের ডিজিটাল ডায়েরী নম্বর, তারিখ ও আবেদনে কোন ত্রুটি থাকলে তা জানিয়ে দেয়া হয়

২. নথির হার্ড কপির পাশাপাশি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ই-ফাইলিং পদ্ধতিতে ইনিসিয়েটিং অফিসার হতে মহাপরিচালক পর্যন্ত ৫টি ধাপে অনুমোদন করা হয় এবং আবেদনকারীকে SMS এর মাধ্যমে কল্যাণভাতার কার্ড অনুমোদনের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়

৩. কল্যাণভাতার কার্ড নম্বর ও তথ্যাদি রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধকরা, অগ্রায়নপত্রের মাধ্যমে কার্ড ইস্যু করে প্রাপক/প্রাপিকার অংশ ডাকযোগে মৃত ব্যক্তির অফিস কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করা হয়

৪. কল্যাণভাতার কার্ডের ব্যাংকের অংশের তালিকা প্রণয়ন ও অগ্রায়নপত্রের মাধ্যমে তালিকাসহ কার্ডগুলো সোনালী ব্যাংক, রমনা কর্পোরেট শাখায় প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে রমনা কর্পোরেট শাখা কর্তৃক কার্ডগুলো সংশ্লিষ্ট সোনালী ব্যাংকের শাখায় প্রেরণ করা হয় 

৫. বিভাগীয় কার্যালয়সমূহের কার্যক্রম সফটওয়্যারের আওতায় না আসায় এবং আইটি সংশ্লিষ্ট জনবল না থাকায় প্রচলিত নিয়মে এ কার্যক্রম সম্পাদিত হয়

৬. এ সংক্রান্ত সকল তথ্য বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.bkkb.gov.bd) থে কে জানা যাবে

সেবা প্রাপ্তির শর্তাবলি

 

 

 

১. সরকারি ও  তালিকাভূক্ত ১৯টি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত অবস্হায় মৃতুবরণ করলে অথবা অক্ষম হলে তার পরিবারকে অনধিক ১৫ (পনের) বছর পর্যণ্ত কল্যাণভাতা প্রদান করা হয় এবং কর্মকর্তা কর্মচারী অবসরগ্রহণের ১০ বছরের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, মৃত্যুর তারিখের পরের দিন হতে ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার অবশিষ্ট সময় পর্যণ্ত কল্যাণভাতা পাবেন

২. নির্ধারিত আবেদন ফরম নং ০২ পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি প্রতিস্বাক্ষর করে সংযুক্ত করত প্রধান কার্যালয়ের জন্য মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, ১ম ১২ তলা সরকারি অফিস ভবন (১১তলা), সেগুনবাগিচা, ঢাকা এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের জন্য বিভাগীয় উপ-পরিচালক বরাবরে একটি অগ্রায়ন পত্রের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হয়

৩. মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী (আবেদনকারী) থাকলে প্রত্যেককে পৃথক ফরমে আবেদন করতে হয়

৪. সমস্ত সনদপত্র অফিস কর্তৃক প্রতি স্বাক্ষর করে প্রেরণ করতে হয়

৫. মৃত্যুর পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হয়

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১. আবেদনপত্রের সাথে কর্মচারীর জন্ম তারিখ/বয়স প্রমাণের জন্য চাকরি বইয়ের ৩য় পৃষ্ঠা/এসএসসি পাশ সনদের সত্যায়িত কপি;

২. মৃত কর্মচারীর মৃত্যুর সনদের সত্যায়িত কপি (ডাক্তার/ওয়ার্ড কমিশনার/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত);

৩. সকল  উত্তরাধীকারী  কর্তৃক  আবেদনকারীকে প্রদত্ত ক্ষমতাপত্র;

৪. কর্মচারী/আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি;

৫. আবেদনকারীর ছবি ও নমুনা স্বাক্ষর এর সত্যায়িত কপি (নমুনা স্বাক্ষরের ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়);

৬. ওয়ারিশ সনদ -স্ত্রী/স্বামী, মা-বাবার ও সন্তানদের বয়স, বর্তমান পেশা, বিবাহিত কিনা উল্লেখপূর্বক ওয়ার্ড কমিশনার/ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সনদের কপি;

৭. শেষ বেতনের তারিখ উল্লেখপূর্বক প্রত্যয়নপত্র;

৮. স্ত্রীর ক্ষেত্রে পুনরায় বিবাহ না হওয়ার এবং কন্যা ও ভগ্নির ক্ষেত্রে বিবাহ না হওয়ার সনদ;

৯. পিআরএল ছুটি ভোগরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে পিআরএল মঞ্জুরি আদেশের সত্যায়িত কপি;

১০. কর্মচারী মুক্তিযোদ্ধা হলে তার পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র;

১১. কর্মচারীর মৃত্যুর পর আবেদন দাখিল করতে ৬ মাসের  বেশি বিলম্ব হলে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিলম্বের ব্যাখ্যা প্রদান;

১২. ওয়ারিশগণ নাবালক হলে অভিভাবকত্বের সনদ প্রদান।

প্রয়োজনীয় ফি

এজন্য কোন ফি প্রয়োজন হয় না।

সংশ্লিষ্ট আইন

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪ এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (তহবিলসমূহ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী।

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

প্রধান কার্যালয়ে - পরিচালক(প্রশাসন)/মহাপরিচালক

বিভাগীয় কার্যালয়ে – উপপরিচালক


Share with :
Facebook Facebook